বেলজিয়াম জাতের হাঁস পালন করে সফল হয়েছেন জাহিদ হাসান নামের এক সফল তরুণ উদ্যোক্তা।
নাটোরের সিংড়া উপজেলার নুরপুর গ্রামে এই তরুণ উদ্যোক্তার বাড়ি। হাঁস খামারের পাশাপাশি নুরপুর বাজারে গড়ে তুলেছেন হাঁসের বাচ্চা ফুটানো চলনবিল নামে একটি হ্যাচারী। হাঁস খামার ও হ্যাচারী দুটো প্রতিষ্ঠানেই পার্টনার হিসাবে আছেন জাহিদের প্রবাসী দুলা ভাই আবু হাসান।
মুলত বেলজিয়াম জাতের হাঁস পালনেই শালা দুলা ভাই গড়ে তুলেছেন এই হ্যাচারী। খামার ও হ্যাচারী থেকে তাদের মাসিক আয় এখন প্রায় দুই লাখ টাকা।
উদ্যোক্তা জাহিদ জানান, আজ থেকে ৭ কি ৮ বছর আগের কথা, তখন আমার প্রায় ৮ লাখ টাকার ঋণ ছিল। একদিন প্রবাসী দুলাভাই হাসান আলীর সঙ্গে কথা বলি। তিনি উৎসাহ দেন এবং তিনি টাকা দিয়ে ১০০টি বেলজিয়াম হাঁস কিনে দেন। সেখান থেকেই শুরু।
জাহিদ আরো জানায়, এ জাতের হাঁসের প্রতিটির ওজন হয় গড়ে ৪ থেকে ৫ কেজি পর্যন্ত। এ খামারে প্রতিটি হাঁস ৪৫ দিনের মধ্যেই ৩ কেজি ওজনের হয়। ফলে স্বল্প সময়েই বিক্রিযোগ্য হয়ে ওঠে। একটি হাঁসের ডিমের দাম ৪০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত, আর একটি বাচ্চা বিক্রি হয় ১৫০ টাকায়।
স্বাদ ও পুষ্টিগুণে অনন্য এই হাঁসের ডিম ও মাংসের বাজারে এখন ব্যাপক চাহিদা আছে। বর্তমানে তাদের খামারে হাঁসের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৫০০টি। হাঁসের পাশাপাশি এখন তারা বাচ্চা উৎপাদনও শুরু করেছেন। সব মিলে বছরে তাদের মোট আয় ২৪ লাখ টাকারও বেশি।
জাহিদের দেখা দেখি বেলজিয়াম হাঁস পালনে এগিয়ে আসছে অনেক বেকার যুবক।
সিংড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তাশরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা সবসময় তরুণ উদ্যোক্তাদের সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে থাকি। হাঁস পালনের জন্য প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল সহায়তা, পরামর্শ ও ভ্যাকসিন আমরা বিনামূল্যে প্রদান করি। উপজেলায় বর্তমানে বেলজিয়াম জাতের একটি বড় খামার রয়েছে।
ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।
নাটোরের সিংড়া উপজেলার নুরপুর গ্রামে এই তরুণ উদ্যোক্তার বাড়ি। হাঁস খামারের পাশাপাশি নুরপুর বাজারে গড়ে তুলেছেন হাঁসের বাচ্চা ফুটানো চলনবিল নামে একটি হ্যাচারী। হাঁস খামার ও হ্যাচারী দুটো প্রতিষ্ঠানেই পার্টনার হিসাবে আছেন জাহিদের প্রবাসী দুলা ভাই আবু হাসান।
মুলত বেলজিয়াম জাতের হাঁস পালনেই শালা দুলা ভাই গড়ে তুলেছেন এই হ্যাচারী। খামার ও হ্যাচারী থেকে তাদের মাসিক আয় এখন প্রায় দুই লাখ টাকা।
উদ্যোক্তা জাহিদ জানান, আজ থেকে ৭ কি ৮ বছর আগের কথা, তখন আমার প্রায় ৮ লাখ টাকার ঋণ ছিল। একদিন প্রবাসী দুলাভাই হাসান আলীর সঙ্গে কথা বলি। তিনি উৎসাহ দেন এবং তিনি টাকা দিয়ে ১০০টি বেলজিয়াম হাঁস কিনে দেন। সেখান থেকেই শুরু।
জাহিদ আরো জানায়, এ জাতের হাঁসের প্রতিটির ওজন হয় গড়ে ৪ থেকে ৫ কেজি পর্যন্ত। এ খামারে প্রতিটি হাঁস ৪৫ দিনের মধ্যেই ৩ কেজি ওজনের হয়। ফলে স্বল্প সময়েই বিক্রিযোগ্য হয়ে ওঠে। একটি হাঁসের ডিমের দাম ৪০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত, আর একটি বাচ্চা বিক্রি হয় ১৫০ টাকায়।
স্বাদ ও পুষ্টিগুণে অনন্য এই হাঁসের ডিম ও মাংসের বাজারে এখন ব্যাপক চাহিদা আছে। বর্তমানে তাদের খামারে হাঁসের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৫০০টি। হাঁসের পাশাপাশি এখন তারা বাচ্চা উৎপাদনও শুরু করেছেন। সব মিলে বছরে তাদের মোট আয় ২৪ লাখ টাকারও বেশি।
জাহিদের দেখা দেখি বেলজিয়াম হাঁস পালনে এগিয়ে আসছে অনেক বেকার যুবক।
সিংড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তাশরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা সবসময় তরুণ উদ্যোক্তাদের সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে থাকি। হাঁস পালনের জন্য প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল সহায়তা, পরামর্শ ও ভ্যাকসিন আমরা বিনামূল্যে প্রদান করি। উপজেলায় বর্তমানে বেলজিয়াম জাতের একটি বড় খামার রয়েছে।
ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।
সৌরভ সোহরাব সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ